বন্দর প্রতিনিধি -মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, এখানে যারা জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তারা ন্যায়বিচার চান। আশা করি বিএনপি নিশ্চয়ই ভুল করবেনা। আমি ৩ বার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এটা আপনাদের কারণেই হয়েছে। আজকে আপনারা আমাকে কালাম সাহেব বলেন। সাহেবের প্রকৃত মালিক তো আপনারা। আমি বিএনপির পরীক্ষিত সৈনিক। আমার পিতা প্রয়াত জালাল হাজী,এরপর আমি আবুল কালাম ও সবশেষ আমার পুত্র আবুল কাউছার আশা। আমাদের পরিবার ৩ প্রজন্ম। এই ৩ প্রজন্মের বাইরে জালাল হাজীর পরিবারে কেউ নাই।
শুক্রবার বিকেলে বন্দরের নবীগঞ্জ কবিলের মোড় এলাকায় আয়োজিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেকে জেল খেটেছে মামলা খেয়েছে হত্যার শিকার হয়েছে। আজকে সেই নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সমাবেশ। যারা জেল খাটিয়েছে যারা নির্যাতন করিয়েছে তারা আজকে নির্যাতিত নেতাদের ফুলের মালা দিতে চায়। আমরা চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া অপেক্ষা করবো। কিন্তু আমাদের অপেক্ষাকে অবজ্ঞা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আমরা দলের সঙ্গে কখনো বেঈমানি করি নাই। ভবিষ্যতেও করবোনা।
প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান শিল্পপতি আবু জাফর আহাম্মেদ বাবুল বলেন, বিগত ১৭ বছর বিএনপির অনেক নেতাকর্মী ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক জেল জুলুমের শিকার হয়েছে। আমিও ফ্যাসিস্ট সরকারের দ্বারা মামলার আসামী হয়েছি।
আমার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট করা হয়েছে। পুলিশের নির্যাতনে আমার বাড়িতে থাকা বোন সমতূল্য গৃহকর্মীকে মেরে ফেলেছে। নারায়ণগঞ্জে আজকে যারা বড় বড় কথা বলে তাদের কয়জনের বাসায় এরকম হামলা হয়েছে।
সমাবেশ শেষে মোমশিখা প্রজ্জলন করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি জানান সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য আওলাদ হোসেন,আমিনুল ইসলাম, থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাজমুল হক রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছিরুল্লাহ টিপু,বিএনপি নেতা হোসেন প্রধান,আমির হোসেন,জাবেদ,খোকন,হুমায়ুন মোল্লা,আসাদুজ্জামান বাদলসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নেরনেতৃবৃন্



